bangladesh-25310-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%9F-%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%8F-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE চিরকুট লিখে এ কেমন আত্মহত্যা!

চিরকুট লিখে এ কেমন আত্মহত্যা!

প্রকাশ | ১২ আগস্ট ২০১৭, ২০:২৮

রহিম রেজা
ঝালকাঠির রাজাপুরের বিয়ের প্রলোভন ও প্রেমে প্রতারিত হয়ে ওই স্কুলের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী বর্নিতা হাওলাদার (১৫) চিরকুট লিখে আত্মহত্যার চেষ্টার ২ মাস পর মৃত্যুবরণ করেছেন।
শনিবার বিকেলে পুলিশ ওই ছাত্রীর বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্নিতা দক্ষিণ তারাবুনিয়া গ্রামের বিপুল হাওলাদারের মেয়ে।
স্কুলছাত্রী বর্নিতার ভাই বিপ্লব হাওলাদার জানান, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বর্নিতার স্কুলের শিক্ষক ইন্দ্রজিৎ কুমার দাস বর্নিতার সাথে প্রেমে সম্পর্ক গড়ে তোলে। সম্প্রতি বর্তিতার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নের চেষ্টা করে বিয়ের জন্য বিভিন্ন স্থানে মেয়ে দেখা শুরু করে। এ খবর নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ শুরু হলে বর্তিতাকে গিফট দেয়া মোবাইল ফোনটি ইন্দ্রজি কৌশলে নিয়ে যায়।
গত ৮ জুন গলায় ফাস লাগিয়ে নিজবাড়িতে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বর্নিতা। পরিবারের লোকজন তাৎক্ষনিক তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজাপুর, পরে বরিশাল শেবাচিম ও সর্বশেষ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসা করালেও তাকে বাঁচানো যায়নি।
স্কুলছাত্রী বর্নিতার ভাই বিপ্লব হাওলাদার আরও জানান, বর্নিতা প্রথম শ্রেণি থেকেই প্রতি ক্লাসে ১ রোল ছিল এবং যথেষ্ট মেধাবী হওয়ায় তার স্বপ্ন ছিল জজ হওয়ায়। বর্তিতার স্ব-হস্তে লেখা চিরকুটেরও তার জজ হওয়ার স্বপ্ন এবং তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে স্কুলের শিক্ষক ইন্দ্রজিৎ কুমার দাসকেই দায়ী করেছে।
রাজাপুর থানার ওসি শেখ মুনীর উল গীয়াস জানান, এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে।