culture-25182-%E0%A6%8F%E0%A6%B8-%E0%A6%8F%E0%A6%AE-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%AF%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A4 এস এম সুলতানের জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত

এস এম সুলতানের জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত

প্রকাশ | ১০ আগস্ট ২০১৭, ১০:৫৫

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ব বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) সকালে শহরের কুড়িগ্রামে সুলতানের বাসভবনে কোরানখানি, দোয়া মাহফিল, শিল্পীর কবরে বিভিন্ন সংগঠনের পুষ্পস্তবক অর্পণ, শিশুস্বর্গ মিলনায়তনে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, শিল্পীর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় দু’শতাধিক শিশু অংশ নেয়।

আলোচনা সভায় সুলতান ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ কামরুল আরিফ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান,সুলতান আর্ট কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর অশোক কুমার শীল, এসএম সুলতান শিশু চারু ও কারুকলা ফাউন্ডেশনের সভাপতি শেখ হানিফ, জেলা পরিষদের সদস্য বীর মক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান হিলু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

বরেণ্য এ শিল্পী ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইল শহরের মাছিমদিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মেছের আলী, মা মাজু বিবি। রাজমিস্ত্রী পিতা মেছের আলীর নান্দনিক সৃষ্টির ঘঁষামাজার মধ্য দিয়ে ছোট বেলার লাল মিঞার (সুলতান) চিত্রাংকনে সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ হয়। 

দীর্ঘদিন শ্বাসকষ্টে ভোগার পর ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। প্রিয় জন্মভূমি নড়াইলের কুড়িগ্রামের নিজ বাড়ির আঙিনায় তাকে সমাধিত করা হয়। 

চিত্রাপাড়ের লালমিয়া (সুলতানের ডাক নাম) শিল্পের মূল্যায়ন হিসেবে পেয়েছেন ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ এবং এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ পুরস্কার। এছাড়া ১৯৮২ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্ট আর্টিস্ট হিসেবে স্বীকৃতি এবং ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা পান তিনি।

 সুলতানের স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য শিল্পীর মৃত্যুর পর সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিল্পীর বাসভবন সংলগ্ন ২একর ৫৭ শতক জমির ওপর নির্মিত হয়েছে এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা।

সুলতানের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এসএম সুলতান শিশু চারু ও কারুকলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আগামি ৬ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর তিনদিনব্যাপী নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ চত্বরে সুলতান উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। সুলতান ফাউন্ডেশনের আয়োজনে আগামি ৯ সেপ্টেম্বর চিত্রা নদীতে পুরুষ ও মহিলা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।