science-and-tech-36713-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A7%AC%E0%A7%A6-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95 মোবাইলফোন প্রস্তুতকারী ৬০ প্রতিষ্ঠানকে তথ্য দিচ্ছে ফেসবুক

মোবাইলফোন প্রস্তুতকারী ৬০ প্রতিষ্ঠানকে তথ্য দিচ্ছে ফেসবুক

প্রকাশ | ০৫ জুন ২০১৮, ১১:৫৭

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য মোবাইল ফোনসহ অন্য ডিভাইস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে ফেসবুক। অ্যাপল, অ্যামাজন, ব্ল্যাকবেরি, মাইক্রোসফট, স্যামসাংসহ প্রায় ৬০টি ডিভাইস প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তথ্য শেয়ার করার চুক্তি করেছে।

এই চুক্তির বিষয়টি আগে প্রকাশ করা হয়নি। তাই ফেসবুকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ফেসবুকের  অংশীদাররা কী মাত্রায় সুবিধা পাবে, তা এর আগে জানানো হয়নি। এর ফলে প্রাইভেসি বা গোপনীয়তা সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এমনকি ব্যবহারকারীদের ফেসবুক বন্ধুদের তথ্যও তারা পেয়ে যাবেন কোনো ধরনের সম্মতি ছাড়াই।

যদিও ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ ঘোষণা দিয়েছিলেন, এ ধরনের তথ্য আর কখনো শেয়ার করা হবে না।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, মোবাইল প্রতিষ্ঠানগুলো বাইরের কেউ না। তাদের আরো বেশি অংশীদারত্ব বাড়ানো উচিত। নিউইয়র্ক টাইমস পরীক্ষা করে দেখে, ফেসবুক ব্যবহারকারীর ‘ফ্রেন্ডসের’ও তথ্য পেয়ে যাবে মোবাইল প্রতিষ্ঠানগুলো। এমনকি যারা ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, তাদের তথ্যও পাবে।

নিউইয়র্ক টাইমসের দেওয়া তথ্যমতে, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি মনে করে তাদের পর্যাপ্ত তথ্য দেওয়া হচ্ছে না, তাহলে তারা ব্যবহারকারীদের ফেসবুক বন্ধুদের কাছ থেকেও তথ্য নিতে পারবে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই চুক্তি বর্তমানে চলমান রয়েছে। যদিও গত এপ্রিল থেকে তথ্য শেয়ারের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে ফেসবুক।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গোপনীয়তাবিষয়ক গবেষক সার্গে এজেলম্যান বলেন, আপনারা হয়তো বা ভাবতে পারেন, ফেসবুক আর ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ভরযোগ্য। কিন্তু সমস্যা হলো, একটা মোবাইল ফোনে যত বেশি তথ্য জমা হতে থাকে এবং সেখানে যত বেশি অ্যাপস ঢোকানো হয়, এটা ততই গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়ায়।

গবেষক ও গোপনীয়তাবিষয়ক পরামর্শক আশকান সোলতানি বলেন, এটা এমন যে ঘরের দরজায় তালা দিয়ে তালা-চাবি মিস্ত্রি তাঁর সব বন্ধুকে চাবি দিয়ে রেখেছেন এবং তাঁরা এসে অনুমতি ছাড়া ঘরে ঢুকে লুটপাট করে যেতে পারে।

সাহস২৪.কম/রনি/