world-37019-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%93-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A0%E0%A6%95 শেষ হলো ট্রাম্প ও কিমের ঐতিহাসিক বৈঠক

শেষ হলো ট্রাম্প ও কিমের ঐতিহাসিক বৈঠক

প্রকাশ | ১২ জুন ২০১৮, ১৫:১৪

অনলাইন ডেস্ক

সম্পন্ন হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার সুপ্রিম লিডার কিম জং উনের ঐতিহাসিক বৈঠক। দীর্ঘ দিন একে অপরকে চূড়ান্ত অপমান ও যুদ্ধের হুমকি দিলেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দুজনের মধ্যে উষ্ণতার আবহ গড়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের একান্ত বৈঠক শেষে ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের এ বৈঠক আজ মঙ্গলবার ১২ জুন সিঙ্গাপুরের ক্যাপেলা হোটেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি করছে এই বৈঠক। তবে বৈঠকে দুই নেতার আলোচনার বিষয়গুলোই মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র থেকে শুরু করে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলছেন তারা।

বিবিসির খবরে বলা হয়, এই প্রথম উত্তর কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মধ্যে কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত এক মাসের নানা জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ সকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জং-উনের মধ্যকার বৈঠকটি সিঙ্গাপুরের সেন্তোসা দ্বীপের এক বিলাসবহুল হোটেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সিএনএন তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বৈঠকে কিম ছাড়াও তার শীর্ষ পরামর্শকেরা উপস্থিত আছেন। এর মধ্যে পিয়ংইয়ংয়ের শীর্ষ কূটনীতিক কিম ওং কোল রয়েছেন। গত মাসে এ বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কার সময় তিনিই ওয়াশিংটনে ট্রাম্পকে কিমের ব্যক্তিগত চিঠি হস্তান্তর করেছিলেন।

বিশ্লেষকেরা এ বৈঠকের ব্যাপারে ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিয়েছেন। কেউ বলছেন, এটি শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে। আবার অনেকে এটিকে ট্রাম্পের ‘প্রচারণার জয়’ বলে মনে করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার দুই নেতা একে অপরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, সেটিই বড় করে দেখা হচ্ছে।

ট্রাম্প বলেছেন, এটা দারুণ অনুভূতি। আমরা একটি মহান আলোচনা করতে যাচ্ছি এবং এটি দারুণভাবে সফল হবে। কিম বলেন, এটি (বৈঠক) সহজ ছিল না। প্রচুর বাধা অতিক্রম করে আমরা বৈঠকটি করছি।

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন এ বৈঠক আয়োজনে মূল ভূমিকা রেখেছেন। মুন বলেছেন, গত রাতে ঘুমাতে পারিনি।

কেবিনেটের এক বৈঠকে মুন বলেন, আশা করি, বৈঠক সফল হবে এবং নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হবে।

সাহস২৪.কম/রনি/