world-37020-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A7%9F-%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A0%E0%A6%95 করমর্দনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ট্রাম্প কিমের বৈঠক

করমর্দনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ট্রাম্প কিমের বৈঠক

প্রকাশ | ১২ জুন ২০১৮, ১৫:৪৯

অনলাইন ডেস্ক

করমর্দনের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন এর বৈঠক শুরু হয়। আজ মঙ্গলবার নানা নাটকীয়তা ও অনিশ্চয়তার পর অবশেষে দুই নেতা এক টেবিলে মুখোমুখি বসলেন। সিঙ্গাপুরের অবকাশ দ্বীপ সেন্তোসার বিলাসবহুল ক্যাপেলা হোটেলে এই ঐতিহাসিক বৈঠক হয়।

আজ স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে ট্রাম্প ও কিম প্রাথমিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর শুরু হয় একান্ত বৈঠক। পরে বর্ধিত বৈঠক। এতে দুই দেশের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকছেন। তারা একসাথে মধ্যাহ্নভোজও করবেন। যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যকার এই শীর্ষ বৈঠক দ্বিতীয় দিনেও গড়াতে পারে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

তবে আজ স্থানীয় সময় রাত ৮টায় ট্রাম্পের ওয়াশিংটনের উদ্দেশে সিঙ্গাপুর ত্যাগ করার কথা। আর কিম স্থানীয় সময় বেলা দুইটায় সিঙ্গাপুর ছাড়তে পারেন।

গতকাল সিঙ্গাপুরের এক হোটেলে প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার কর্মকর্তারা। পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে বিদ্যমান মতপার্থক্য কমাতে দুই দেশের মধ্যে আস্থার সেতু তৈরির চেষ্টা করেন তারা। নির্দিষ্টভাবে কিছু উল্লেখ না করলেও পিয়ংইয়ং চায় অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ‘বৈরিতার নীতি’রও অবসান চায়। বিনিময়ে পিয়ংইয়ং পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কী ছাড় দেবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘পুরোপুরি, যাচাইযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়’ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে রাজি হলে উত্তর কোরিয়াকে এক ‘অনন্য’ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

সাহস২৪.কম/রনি/