world-38030-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ | ১১ জুলাই ২০১৮, ১৬:২৬

অনলাইন ডেস্ক

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের স্ত্রী রোসমাহ মানসুরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে লেবাননের একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অবৈধভাবে ১ কোটি ৪৮ লাখ ডলারের গয়না নিয়েছেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

নাজিব রাজাক ক্ষমতায় থাকা অবস্থাতেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিনিয়োগ তহবিল ওয়ান মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বেরহাদের (ওয়ানএমডিবি) অর্থ আত্মসাৎ করে নাজিব নিজ ব্যাংক হিসাবে জমা করেছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে নাজিব এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

সম্প্রতি তার বাড়ি থেকে ৩০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দুই হাজার ৫৩৫ কোটি ৫৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকারও বেশি। জব্দকৃত সম্পদের মধ্যে রয়েছে ১২ হাজার পিস গয়না, বিভিন্ন ব্যাগে প্রায় তিন কোটি ডলারের সমমূল্যের ২৬টি দেশের মুদ্রা, ৪২৩টি ঘড়ি এবং ২৩৪ জোড়া সানগ্লাস। রয়েছে খ্যাতনামা নকশাকারদের তৈরি নানা মূল্যবান ও সৌখিন সামগ্রী। আর এসব সামগ্রীর হিসাব মেলাতে পুলিশের সময় লেগেছে মোট ১৬ দিন

এবার অভিযোগ উঠলো তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ২২ মে অবৈধভাবে গ্লোবাল রয়্যালটি ট্রেডিং স্যালের একটি টায়ারা ও হীরের নেকলেস নিয়েছেন তিনি। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি মূল্যের ৪৪টি গয়না ফেরত দিতে হবে তাদের।

২৬ জুন মেসার্স ডেভিড গুরুপাথাম এন্ড কোয়াভের মাধ্যমে রোজমাহর বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়। তবে সংবাদমাধ্যমে এটি প্রকাশ হয় ১০ জুলাই।

এক বিবৃতিতে গয়না নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানটি জানায় রোজমাহ জানতেন যে সেই গয়নাগুলোর ওপর তার অধিকার নেই। তারপরও তিনি সেগুলো নিয়েছেন। রোজমার আইনজীবীরা এই দাবি অস্বীকার করে বলেন, এই জটিলতায় গয়নাগুলো কেনা হয়নি। 

তারা জানান, ‘আমরা জানাতে চাই যে, গ্লোবাল রয়্যালটির পাঠানো বিবৃতিতে যে দাবি করা হয়েছে সেটি ভুল। এমন কিছু রোজমাহ মানসুর কেনেননি। তাই অবৈধ অর্থ দিয়ে অলংকার কেনার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’

প্রতিষ্ঠানটি থেকে জানানো হয়, রোজমাহ তাদের পুরোনো ক্রেতা। তাকে এর আগেও এমন গয়না পাঠানো হয়েছে।